1. halimshagor2011@gmail.com : bangla sangbad : bangla sangbad
  2. admin@dainikbanglasangbad.com : H@dainikbS :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
অদৃশ্য শক্তির ইশারায় চলছে অপরাধের সাম্রাজ্য: গডফাদারদের ধরতে সরকারের কঠোর বার্তা গাজীপুরে ৫ খুনের ঘাতক ফোরকানের ‘আত্মহত্যা’ চট্টগ্রাম নগরের সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত শিশু রেশমীর মৃত্যু অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন বর্তমান সরকারের যথাযথ উদ্যোগ বেলালের মাথা বিচ্ছিন্ন করে কাটা হয় চুল, দেহ খণ্ড খণ্ড করে মাটিচাপা বরিশালে মাদক ব্যবসা, হানিট্র্যাপ, ছিনতাই ও সংঘবদ্ধ অপরাধে নারীদের সম্পৃক্ততা আগের তুলনায় বেড়েছে আ’লীগের গুম-খুনের শিকার ২২৭৬ বিএনপি কর্মী: তদন্তের দাবি জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল মাহবুব উল আলম হানিফ ও তার স্ত্রী ফৌজিয়া আলমের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত সুন্দরবনে ১১ জেলে সাত দিন পর ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরেছে বাংলাদেশের দিকে নজর পড়েছে বিশ্বের একমাত্র পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের

সাড়াসি অভিযানে ৯০ শতাংশ সফল ডিবির ডিসি শাহরিয়ার

  • আপটেড সময় : রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৭ বার পঠিত

আব্দুল হালিম সাগর : মোঃ শাহরিয়ার আলম পলাশ (২৮) ব্যাচের একজন পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি এসএমপি পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন এসএমপি ডিবির ডিসি হিসাবে। এরআগে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি, সিটি ও সিসি) এবং পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতির পর অতিরিক্ত দায়িত্বে ডিসি (সদর ও প্রশাসন) হিসেবে কাজ করেছেন। তার সাড়াসি অভিযানে এসএমপি এলাকায় প্রায় ৯০ শতাংশ অপরাধ মুলক কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রনে চলে এসেছে। পুলিশের এই চৌকুশ অফিসার লাগাতার অভিযান চালিয়ে এসএমপি এলাকায় অপরাধ জগতকে একধম গুড়িয়ে দিয়েছেন।
দিনে কিংবা রাতে পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়াই চলে ডিসি শাহরিয়ার আলমের নেতৃত্বে বিভিন্ন রকম অপরাধ স্পটে সাড়াসী অভিযান। এসএমপি এলাকার ৬টি থানায় যেকোন রকমের অপরাধের খবর শুনলে টিম নিয়ে নিজেই বেরিয়ে পড়েন তিনি। সিলেট মহানগরী অপরাধীদের কাছে মুর্তিমান আতংকের নাম (এসএমপি) ডিবির বর্তমান ডিসি শাহরিয়ার আলম পলাশ। তাদের নেতৃত্বে এ পর্যন্ত আটক করা হয়েছে প্রায় ২শতাধিক জুয়াড়ী, অর্ধশত পতিতা ও দালাল, প্রায় ৩০ জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, অনেক চোরাকারবারি। মাত্র কয়েক মাসের ভিতরেই এসএমপি এলাকার সকল অপরাধমুলক কর্মকান্ডের আস্থানা গুড়িয়ে দিয়েছেন তিনি । বিশেষ করে এসএমপি কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস এর দিক নির্দেশনায় (এসএমপি) মহানগর ডিবি পুলিশের ডিসি শাহরিয়ার আলম প্রায় তিন শতাধিক সফল অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অনেক অপরাধীর মুখে শুনা যায়, এসএমপি প্রতিষ্টার পর থেকে শাহরিয়ার আলমের মতো এমন চৌকুস অফিসার এসএমপিতে আর কাউকে দেখা যায়নি। সিলেট নগরী থেকে জুয়া, আবাসিক হোটেলের অসামাজিক কার্যকলাপ, মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, ছিনতাইকারী আটক, অবৈধ চোরাচালানের পন্যসহ চোরাকারবারী আটক সব কিছুতেই এসএমপির দুই জোনের সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন শাহরিয়ার আলম ডিবি পুলিশের জনবল সংকঠ আর লজিষ্ট্রিক সার্পোট না থাকলে সামান্য লজিষ্ট্রিক সার্পোট নিয়ে টিমের সদস্যদের নিয়ে তিনি লড়ে যাচ্ছেন এসএমপি এলাকার সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে। তাদের এসব সাড়াসী অভিযানের ফলে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন নগরবাসীর কাছ থেকে। তবে মাঝে মধ্যে অভিযানকালে সাথে থাকা সদস্যরা দু একটি বির্তকৃত কর্মকান্ড ঘটিয়ে সাফল্যপূণ্য অভিযানকে বির্তকৃত করে ফেলছেন বলেও অভিযোগ করেন অনেকে। ফলে অভিযানকালে নেতৃত্বে থাকা ডিসি শাহরিয়ার আলমকে আরো সচেষ্ট থাকতে বলেছেন সুশিল সমাজের অনেকে। জনশ্রুতিমতে এসএমপির ডিবির বর্তমান ডিসি যোগদানের পর পাল্টে যায়, সিলেট নগরীর সব রকম অপরাধমূলক কর্মকান্ডের দৃশ্যপট। কমিশনারে নির্দেশে ডিসির নেতৃত্বে কয়েকটি টিম মাঠে নামে সিলেট মহানগরীর অপরাধ নির্মূলে। এ পর্যন্ত প্রায় তিন শতাধিক সফল অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশ। প্রতিটি অভিযানে তারা সফলতা নিয়ে ফিরে আসে। বিশেষ করে সিলেট নগরী থেকে ভারতীয় তীর, জুয়া, তিনতাস, আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ, সিলেট নগরীতে দিনে রাতে চোরাচালানের গাড়ি প্রবেশ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে একটি সুন্দর অপরাধমুক্ত পরিবেশ ফিরে এসেছে সিলেট নগরীতে। এক সময় এসএমপি ৬টি থানা এলাকায় বিভিন্ন স্থানে জুয়া আসর, পতিতা স্পট, মাদক ব্যবসা, ছিনতাই, চোরাচালানের সংখ্যা মাত্রারিক্ত বেড়ে যায়। স্থানীয় থানা পুলিশ যেনো অপরাধীদের লাগাম টেনে ধরতে পারছিলোনা। ফলে নগরীর পরিবেশের সাথে তাল মিলিয়ে বাড়তে থাকে নানা রকম অপরাধ মূলক কর্মকান্ড। কিন্তু হঠাৎ করে চিরোচেনা সেই সব দৃশ্যপট পাল্টে দেন ডিবির ডিসি আলম। শুরু করেন সাড়াসি অভিযান। দীর্ঘদিন লাগাতার অভিযানের ফলে সিলেট নগরী থেকে কমতে শুরু করে নানা রকম অপরাধ। বন্ধ হয়ে যায় অর্ধশতাধিক জুয়ার বোর্ড, আবাসিক হোটেল, মাদক স্পট। সিলগালা করে দেওয়া হয় প্রায় ডজন খানেক অসামাজিক কাজের আস্থানা হিসাবে পরিচিত আবাসিক হোটের। সম্প্রতি সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে দু-একটি অপরাধ মূলক স্পট ছাড়া প্রায় সবগুলো জুয়ার আস্তানা, আবাসিক হোটেলে পতিতা ব্যবসা, মাদক ব্যবসা, চোরাচালান বন্ধ হয়ে গেছে। এখন প্রতিদিনই গ্রেফতার হচ্ছে জুয়াড়ী, চোরাচালানের গাড়ী ও মাদক ব্যবসায়ীরা।
শাহরিয়ার আলম বলেন, আমি কোন অপরাধীর কাছ থেকে টাকা খাইনা, তাই অপরাধীকে ছাড় দেওয়ার প্রশ্ন আসেনা। যেখানে অপরাধমূলক কাজ হবে সেখানে আমি অভিযান চালাতে প্রস্তুত। তিনি সাংবাদিকদের তথ্য দিয়ে তাকে সহযোগীতা করার অনুরোধ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

আরো কিছু জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2018 dainikbanglasangbad.com
Design & Development By Hostitbd.Com