1. halimshagor2011@gmail.com : bangla sangbad : bangla sangbad
  2. admin@dainikbanglasangbad.com : H@dainikbS :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
অদৃশ্য শক্তির ইশারায় চলছে অপরাধের সাম্রাজ্য: গডফাদারদের ধরতে সরকারের কঠোর বার্তা গাজীপুরে ৫ খুনের ঘাতক ফোরকানের ‘আত্মহত্যা’ চট্টগ্রাম নগরের সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত শিশু রেশমীর মৃত্যু অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন বর্তমান সরকারের যথাযথ উদ্যোগ বেলালের মাথা বিচ্ছিন্ন করে কাটা হয় চুল, দেহ খণ্ড খণ্ড করে মাটিচাপা বরিশালে মাদক ব্যবসা, হানিট্র্যাপ, ছিনতাই ও সংঘবদ্ধ অপরাধে নারীদের সম্পৃক্ততা আগের তুলনায় বেড়েছে আ’লীগের গুম-খুনের শিকার ২২৭৬ বিএনপি কর্মী: তদন্তের দাবি জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল মাহবুব উল আলম হানিফ ও তার স্ত্রী ফৌজিয়া আলমের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত সুন্দরবনে ১১ জেলে সাত দিন পর ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরেছে বাংলাদেশের দিকে নজর পড়েছে বিশ্বের একমাত্র পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের

ধানের শীষ না পেয়েও বিজয়ী বিএনপির সাত ‘বিদ্রোহী’

  • আপটেড সময় : শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪ বার পঠিত

স্টাফ রির্পোটার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত বিএনপির সাতজন ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। দলীয় প্রতীক ধানের শীষ না পেয়ে তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। এখন দলীয় ও জোট প্রার্থীদের পাশাপাশি তারাও সংসদে যাচ্ছেন।বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, টাঙ্গাইল-৩ আসনের লুৎফর রহমান খান আজাদ, চাঁদপুর-৪ আসনের আব্দুল হান্নান, কুমিল্লা-৭ আসনের আতিকুল আলম শাওন, ময়মনসিংহ-১ আসনের সালমান ওমর রুবেল এবং দিনাজপুর-৫ আসনের রেজওয়ানুল হক। দলীয় নানা উদ্যোগের পরও ধানের শীষ না পেয়ে সারা দেশের অর্ধশতাধিক আসনে বিএনপির ‘অভিমানী’ নেতারা স্বতন্ত্র তথা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের মাঠে থেকে যান। বিশেষ করে শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া ১৬টি আসনের মধ্যে ১২টিতেই বিদ্রোহী প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এতে তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির ভোট বিভক্ত হয়ে পড়ে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ কারণে বেশ কিছু আসনে বিএনপি-সমর্থিত জোট প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন। যে কারণে বিদ্রোহী প্রার্থী হলেন তারা : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি জমিয়তের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে ছেড়ে দেয় বিএনপি। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন এবং পরবর্তীতে বহিষ্কৃত হন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন পান বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল। পরে চূড়ান্তভাবে ধানের শীষ দেওয়া হয় সৈয়দ এহসানুল হুদাকে। মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে ইকবালকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ওবায়দুল হক নাসির দলীয় প্রার্থী হন। ধানের শীষ না পেয়ে সাবেক মন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশীদকে দলীয় প্রার্থী করা হয়। ধানের শীষ না পেয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হান্নান স্বতন্ত্র প্রার্থী হন এবং বহিষ্কৃত হন।
কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ পান। মনোনয়ন না পেয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল আলম শাওন স্বতন্ত্র প্রার্থী হন এবং বহিষ্কৃত হন।
ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ধানের শীষ পান। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সালমান ওমর রুবেল স্বতন্ত্র প্রার্থী হন এবং বহিষ্কৃত হন।
দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসনে ব্যারিস্টার এ কে এম কামরুজ্জামানকে প্রার্থী করা হয়। ধানের শীষ না পেয়ে রেজওয়ানুল হক স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং দল থেকে বহিষ্কৃত হন।
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় এদের বহিষ্কার করা হলেও ভোটের মাঠে তারা নিজ নিজ এলাকায় শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হন। শেষ পর্যন্ত বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়ে তারা নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার ইঙ্গিত দিলেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

আরো কিছু জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2018 dainikbanglasangbad.com
Design & Development By Hostitbd.Com