1. halimshagor2011@gmail.com : bangla sangbad : bangla sangbad
  2. admin@dainikbanglasangbad.com : H@dainikbS :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
অদৃশ্য শক্তির ইশারায় চলছে অপরাধের সাম্রাজ্য: গডফাদারদের ধরতে সরকারের কঠোর বার্তা গাজীপুরে ৫ খুনের ঘাতক ফোরকানের ‘আত্মহত্যা’ চট্টগ্রাম নগরের সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত শিশু রেশমীর মৃত্যু অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন বর্তমান সরকারের যথাযথ উদ্যোগ বেলালের মাথা বিচ্ছিন্ন করে কাটা হয় চুল, দেহ খণ্ড খণ্ড করে মাটিচাপা বরিশালে মাদক ব্যবসা, হানিট্র্যাপ, ছিনতাই ও সংঘবদ্ধ অপরাধে নারীদের সম্পৃক্ততা আগের তুলনায় বেড়েছে আ’লীগের গুম-খুনের শিকার ২২৭৬ বিএনপি কর্মী: তদন্তের দাবি জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল মাহবুব উল আলম হানিফ ও তার স্ত্রী ফৌজিয়া আলমের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত সুন্দরবনে ১১ জেলে সাত দিন পর ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ফিরেছে বাংলাদেশের দিকে নজর পড়েছে বিশ্বের একমাত্র পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের

আজকেও ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি আমরা : বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রী

  • আপটেড সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৯ বার পঠিত

বগুড়া প্রতিনিধি: কিছু রাজনৈতিক দল সংসদে এবং সংসদের বাইরে জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য কিছু কথাবার্তা বলা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ১১টি কমিশন করেছিল। ১১টি কমিশনের মধ্যে সংবিধান আছে, বিচারের বিষয় আছে, প্রশাসনিক আছে, স্বাস্থ্য আছে, নারী আছে। আজকে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি আমরা। খেয়াল করে দেখবেন- যারা এই সংস্কার সংস্কার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে, জুলাই সনদের সম্পর্কে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে, তারা কিন্তু নারীর স্বাধীনতা অথবা নারীর উন্নয়ন নিয়ে কোনো কথা বলে না। বাংলাদেশের মানুষের চিকিৎসার জন্য যে চিকিৎসা কমিশন করা হয়েছিল, বাংলাদেশের মানুষ যাতে ওষুধ সহজে পেতে পারে, চিকিৎসা সহজে পাবে সেইটির ব্যাপারে তারা কোনো কথা বলে না। কীভাবে প্রশাসনকে ঠিক করতে হবে, সেইটির কথা তারা বলে না। কীভাবে আইনশৃঙ্খলা ঠিক করতে হবে, সেইটির কথা তারা বলে না। তারা শুধু সংবিধান সংবিধান এই বিষয়ে কথা বলে।সাম্প্রতিক একটি ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, সম্প্রতি একটি ব্যক্তিগত ঘটনা- এক ছেলে ও এক মেয়ের বিয়ে সংক্রান্ত পারিবারিক বিষয়, কিছু মহল রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। আপনারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছেন। একটি ব্যক্তিগত ঘটনাকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে। এদের সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। অতীতেও তারা বিভিন্ন সময়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করেছে- মুক্তিযুদ্ধের সময়, ১৯৮৬ সালের নির্বাচন, ১৯৯৬ সালের পরিস্থিতি, এমনকি ২০০৮ সালের ঘটনাতেও।

তারেক রহমান বলেন, আমরা দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই- ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, যুবকদের কর্মসংস্থান দেশে ও বিদেশে। কিন্তু কিছু মহল এসব উন্নয়নমূলক কাজের বিরোধিতা করে এবং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করে। জনগণের স্বার্থের কাজ তারা উপেক্ষা করে, আর বিভ্রান্তি ছড়িয়ে নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়। তাই আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। তিনি বলেন, ২০১৬ সালে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া সমগ্র জাতির সামনে ‘ভিশন ২০৩০’ উপস্থাপন করেন। অর্থাৎ ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিএনপি কীভাবে দেশকে সাজাতে চায়, তার একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা দেন। শুধু তাই নয়, তিনি একই সঙ্গে বিভিন্ন খাতে সংস্কারের প্রস্তাবও জনগণের সামনে তুলে ধরেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, যেসব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে রাজপথে আন্দোলন করেছে, তাদের সঙ্গে নিয়ে আবারও দেশের মানুষের সামনে সংস্কার প্রস্তাব উপস্থাপন করে। আপনারা নিশ্চয়ই বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচির কথা মনে রেখেছেন। এই কর্মসূচি আমরা জনগণের সামনে উপস্থাপন করেছি।

তারেক রহমান বলেন, যখন বিএনপি এই ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব জনগণের সামনে তুলে ধরেছিল, তখন অন্য কোনো রাজনৈতিক দল সংস্কারের ‘স’ শব্দটিও তখন উচ্চারণ করার সাহস পায়নি স্বৈরাচারের ভয়ে। কিন্তু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষের দল, কৃষকের দল, মা-বোনদের দল, ছাত্র-জনতার দল- তারা সেই ভয়কে উপেক্ষা করে ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব দেয়। কারণ, আমরা দেখেছিলাম গত ১৬ বছরে স্বৈরাচার কীভাবে ধাপে ধাপে দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে- স্বাস্থ্যব্যবস্থা, ব্যাংকিং খাত, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা খাত- সব কিছু দুর্বল করে দেওয়া হয়েছিল। কিছু মেগা প্রকল্পের আড়ালে দুর্নীতি ছাড়া তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়, তারা বিভিন্ন সংস্কার কমিশন গঠন করে। সেই কমিশনগুলোর কাছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জনগণের পক্ষ থেকে নিজেদের মতামত উপস্থাপন করেছে। আমরা সব সময় বল- আমরা যা করি, স্বচ্ছভাবে করি। কোনো লুকোচুরি নেই। আমরা আমাদের প্রস্তাবগুলো সংস্কার কমিশনের কাছে জমা দিয়েছি এবং জনগণের কাছেও পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছি- কোন বিষয়ে আমরা একমত, আর কোন বিষয়ে দ্বিমত। গণতন্ত্রে মতভেদ থাকবেই। সব বিষয়ে একমত হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। এর আগে সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে নিজ জেলা বগুড়ায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। দিনভর কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি জেলা জজ আদালতে নবনির্মিত ভবন ও ‘ই-বেইল বন্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন, এরপর বহুল প্রতীক্ষিত বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের নামফলক উন্মোচন শেষে গাবতলীর বাগবাড়ীতে পৈতৃক ভিটা পরিদর্শন এবং শহীদ জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড ও খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। সন্ধ্যায় বগুড়া প্রেস ক্লাবের নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

আরো কিছু জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2018 dainikbanglasangbad.com
Design & Development By Hostitbd.Com